মহন বাবু

কবিতা

মায়ার গেরোতে আবদ্ধ হইয়া মহন,

কেমনে ছাড়িবে ভিটা করিল ক্রন্দন।

পাকিল দাড়ি, কালো হইল দেহের বরন,

সময় ফুরাইয়া আসিল দুয়ারে আসিল মরণ।

রাখেনি রোজা,পড়েনি নামাজ,পাপী হইল অঙ্গ,

যৌবনে কত করেছে রবদব, করেছে কত রঙ্গ।

মানেনি কিছু,খোদার নিয়ম করেছে সদা ভঙ্গ,

ছিলনা ভালো, থাকিত শুধু শয়তানের সঙ্গ।

ভাবিয়া সবে চলিল শেষে,সুলতান বাবার দরবার,

পড়িল পায়ে, কহিল ভয়ে,গড়েছি পাপের পাহাড়।

মুছে দাও কালি, তোমাকে বলি- করিব পাপের চুরমার।

বলে দাও তুমি তোমাকে নমি: কি করিতে হইবে আমার।

উতকর্ণ হইয়া,চৈতন্য পাইয়া শুনিল তাহার গুঞ্জন,

হস্তে বাবা কিতাব লইয়া শুরু করিল বয়ান- 

শুনিলাম তোমার মুখজবাণী ওহে বৎস মহন,

আদাওতি না করিয়া মনুষ্যে হইবে সুজন।

অজ্ঞ আমি, বিজ্ঞ তিনি যিনি মোদের প্রভু,

বলিয়াছেন তিনি- বিষাদী ব্যাতিত ক্ষমা হয়না কভু।

গঞ্জিছ যত পিতৃতুল্য,ওহে মহন বাবু,

তাহাদের নিকট হইয়া নত সপিয়া দাও জীবু।

শুনিয়া ভাষণ, করিল মহন সকল পাপের চুর্ণ,

বার্ধক্য হইয়া, সকলি বুঝিয়া জীবন করিল পূণ্য।

চলিল এবার শমন ভবনে,করিয়া মায়ার ছিন্ন, দেখিল সবে অকুস্তলে,মহন রহিয়াছে-হইয়া প্রাণ শুন্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *